অনলাইন ডেস্ক: রাজধানী ও রাজধানীর বাহিরে তিতাসের অবৈধ গ্যাস সংযোগ ও গ্যাসলাইন বিচ্ছিন্ন করার নামে জনৈক খান সাহেব নামে পরিচিত ওরফে আব্দুল মান্নান খান তিতাসের ইনভেস্টিকেশন অফিসার পরিচয় দিয়ে আবাসিক ও বাণিজ্যিক গ্রাহকের কাছ থেকে লাখ-লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
সরেজমিনে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, প্রতারক মান্নান খান অবৈধ গ্যাস ব্যবহারকারীর নিকট থেকে গ্যাস লাইন বিচ্ছিন্ন করার ভয় দেখিয়ে নিয়মিতভাবে মাসিক মাসোয়ারা আদায় করেন। এ ছাড়াও রাজধানীর বিভিন্ন হোটেল রেস্তোরায় অবৈধ গ্যাস সংযোগ দিয়ে লাখ-লাখ-ঢাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে জানা গেছে। হোটেল রেস্তোরা থেকে মাসিক মাসোয়ারা নিয়ে মান্নান খান তার প্রতারনার ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। কেউ মাসিক মাসোয়ারা না দিলে গ্যাস লাইন বিচ্ছিন্ন করার হুমকি প্রদান করে তিতাসের হেড অফিসের ভিজিলেন্স টিমের জনৈক নাইমুর রহমান নামের একজন কর্মকর্তাকে ব্যবহার করে রাইজার কেটে আবার মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে মান্নান খান রাইজার-এ করে তার নিজস্ব টেকশিয়ান দ্বারা অবৈধভাবে সংযোগ প্রদান করে। পরে তাদের সাথে যোগাযোগ করে মাসিক মাসোয়ারা নির্ধারণ করে গ্যাস ব্যাহারের সুযোগ করে দেয়।
অবৈধ গ্যাস ব্যবহারকারীরা মান্নানকে মাসিক মাসোয়ারা না দিলে তাদেরকে মামলা-হামলার ভয়ভিতি ও হুমকি প্রদান কার।
মান্নান খান উত্তর মুগদা এলাকায় জনৈক এক ব্যক্তির বাড়িতে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার নামে চাঁদা দাবি ও গ্যাস লাইন বিচ্ছিন্ন করার হুমকি দিলে জনৈক বাড়িওয়ালা চাঁদাবাজির অভিযোগে প্রতারক মান্নানকে মামলা দেয়। এবং মান্নান গ্রেপ্তার হয়ে জেলে যায়। জামিনে বেরিয়ে আবারো আগের মত প্রতারণা শুরু করে দেয়।
মান্নান খান কখনো তিতাসের ডিজিএম, কখনো তিতাসের জিএম, কখনো তিতাসের ইঞ্জিনিয়ার, কখনো তিতাসের ভূয়া ইনভেস্টিগেশন অফিসার বলে গ্রাহদের হয়রানি করে।
সাধারণ ভুক্তভূগী গ্রাহকদের দাবি, মান্নানকে আইনের আওতায় এনে প্রতারণা বন্ধ করা উচিত।
মান্নানের সাথে তার মোবাইল নং- ০১৯৭৭৬৬৮৩০০ তে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি তিতাসের নিউজ করি আমি একজন সাংবাদিক। কোন প্রত্রিকার সাংবাদিক, জিজ্ঞেস করা হলে তিনি কোনো উত্তর দিতে পারেননি।
জানা গেছে, প্রতারক মান্নান আওয়ামী হর্কাস লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি।
Leave a Reply