তাহলে সাকিব আল হাসানই কি আওয়ামী লীগের তুরুপের তাস?

খেলাধুলা

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী হচ্ছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অলরাউন্ডার সাকিব। সূত্রগুলো জানিয়েছে এমনভাবেই এগিয়েছে সব।

সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ধানমন্ডি-নিউমার্কেট-কলাবাগান-হাজারীবাগ নিয়ে গঠিত ঢাকা-১০ সংসদীয় আসনে সাকিব আওয়ামী লীগের প্রার্থী হবেন বলে সূত্রগুলো জানায়।

এ নিয়ে একাধিকবার প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গেও সাকিবের কথা হয়েছে। একাধিক ঘনিষ্ঠ সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সাকিব আল হাসান সবশেষ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন গত ১১ সেপ্টেম্বর। ওইদিন সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার পর সাকিব সংসদে হাজির হন।

ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানতে পারে, সাকিব আল হাসান সেদিন সেখানে প্রথমে ১৫ মিনিটের মতো বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের সঙ্গে বৈঠক করেন। পাপন সংসদ অধিবেশনে যোগ দিতে গেলে সাকিব অপেক্ষা করেন প্রধানমন্ত্রীর লবিতে।

ওইদিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংসদ ভবনে প্রবেশ করেন। সেখানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হয় সাকিবের। ২০ মিনিট পর সাকিব প্রধানমন্ত্রীর লবি থেকে বেরিয়ে আসেন।

তাদের মধ্যে কী আলোচনা হয়েছে তা জানা না গেলেও একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে, আগামী নির্বাচনে অংশ নিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চান সাকিব।

যদিও সাকিব আল হাসানের বিষয়ে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বোর্ডে কোনো আলোচনা হয়নি বলেই জানাচ্ছেন বোর্ড সদস্য রশিদুল আলম। তিনি বলেন, ঢাকা-১০ আসনে ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানকে মনোনয়ন দেওয়ার বিষয়ে বোর্ডে আলোচনা হয়েছে বলে আমার জানা নেই। এছাড়া নির্বাচনের আরও অনেক সময় বাকি আছে। এর আগে মনোনয়ন বোর্ডের সভাও অনুষ্ঠিত হবে।’

একাধিক সূত্র বলছে, কেবল প্রধানমন্ত্রী নয়, সাকিব আল হাসান তার একাধিক ঘনিষ্ঠ ব্যক্তির কাছেও আগামী সংসদ নির্বাচনে নৌকার টিকেট পাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

সূত্র জানাচ্ছে, শুধু ঢাকা-১০ আসনই নয়, মাগুরা-১ আসনেও মনোনয়ন পেলে তার ক্ষতি নেই। ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের কাছে এমন বার্তাই দিয়েছেন সাকিব আল হাসান।

সাকিব আল হাসান আওয়ামী লীগের হয়ে জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়টি নতুন নয়। বিশ্বসেরা এই ক্রিকেটার সবশেষ একাদশ জাতীয় নির্বাচনেও মাগুরা-১ আসন থেকে নির্বাচন করতে চেয়েছিলেন।

সাকিব মাগুরা-১ আসনের জন্য আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চাইবেন বলে গণমাধ্যমে খবরও এসেছিল। সেবার প্রধানমন্ত্রী, আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা সাকিবকে খেলায় মনোযোগ দিতে বলেছিলেন। এরপর সাকিব আল হাসান গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, তিনি সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছেন। নির্বাচন করবেন না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *