1. admin@jn24news.com : admin :
  2. onemediabd@gmail.com : admin2 :
  3. mail.bizindex@gmail.com : newsroom :
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫২ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
তিতাসের পরিচয়ে লাখ-লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন প্রতারক মান্নান খান আদ্-দ্বীন হাসপাতালের কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব গ্রহণযোগ্য নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী শান্তিরক্ষীদের অর্জন করা গৌরব রক্ষা করা সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান কর্তব্য: প্রধানমন্ত্রী হরমুজ প্রণালির কাছে মার্কিন সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠার রায় আপিল বিভাগে স্থগিত কচুক্ষেতে কারখানা বন্ধের প্রতিবাদে শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ সম্প্রচার করবে বিটিভি রাজধানীতে স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক নেতাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা ইরানে ৫ মাত্রার ভূমিকম্প দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় নিহত ৪

লোহাগড়ায় `জাল দলিল তৈরি-চক্র’: ব্যাংক ঋণ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ, তদন্তের দাবি

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬
  • ২৩২ Time View

জাতীয় ক্রাইম রিপোটার্স সোসাইটি (জে সি আর এস) নড়াইল জেলা প্রতিনিধী: নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় জাল দলিল তৈরি ও তা ব্যবহার করে ব্যাংক ঋণ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, লোহাগড়া পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের লক্ষীপাশা গ্রামের বাসিন্দা মো. আসাদুজ্জামান (জামাল) ও তার মা সালেহা বেগমের নামে একটি জমির দলিল তৈরি করা হয়। সংশ্লিষ্ট দলিলে জমির অবস্থান দেখানো হয়েছে লোহাগড়া উপজেলার লক্ষীপাশা ইউনিয়নের বাঁকা মৌজায়। দলিলে উল্লেখিত জমির পরিমাণ ২ একর ৩৬ শতক এবং এসএ দাগ নম্বর ১২৩ ও আরএস দাগ নম্বর ৩৩২।

স্থানীয় সূত্রের দাবি, প্রায় ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে ওই দলিলটি প্রস্তুত করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, ভূমি জালিয়াত চক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি মহল এ কাজে সহায়তা করেছে।

এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, দলিলে জমির দাতা হিসেবে উল্লেখিত সালেহা বেগমের নামে সংশ্লিষ্ট মৌজায় কোনো বৈধ জমির রেকর্ড নেই। ফলে দলিলটির বৈধতা নিয়ে শুরু থেকেই প্রশ্ন ওঠে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ওই দলিলের ভিত্তিতে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, লোহাগড়া শাখা থেকে ঋণ গ্রহণের উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়া হয়েছিল। তবে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ যাচাই-বাছাইয়ের সময় দলিলটির বিভিন্ন অসঙ্গতি শনাক্ত করে। পরবর্তীতে দলিলটি সন্দেহজনক ও জাল বলে প্রতীয়মান হওয়ায় ঋণ কার্যক্রম এগোয়নি বলে জানা গেছে।

স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।

এলাকাবাসীর দাবি, জাল দলিল তৈরি, ব্যবহার এবং এর মাধ্যমে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টার সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হোক এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করা হোক।

লোহাগড়া উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা এ প্রসঙ্গে বলেন, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রমাণ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উল্লেখ্য: উপরোক্ত অভিযোগগুলোর সত্যতা সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, ভূমি অফিস বা আদালতের মাধ্যমে যাচাই সাপেক্ষ। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তারা আইনগতভাবে নির্দোষ বলে গণ্য হবেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 Breaking News
Theme Customized By BreakingNews