মোঃ সাখাওয়াত হোসেন সুজন : আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। আর এই শিশুরা যদি স্মার্ট হয়ে গড়ে ওঠে তাহলে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ হবে একটি স্মার্ট বাংলাদেশ। শিশুদেরকে সচেতনতা তৈরি, মৃত ব্যয়ী হওয়া, অপচয় রোধ করার প্রতি সচেতনতা তৈরি এবং ছোটবেলা থেকেই সঞ্চয় করার প্রতি আগ্রহ তৈরি করাই মূলত এই স্কুল ব্যাংকিং কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য। শিশুরা যদি তাদের ছোট ছোট সঞ্চয়গুলোকে একত্রিত করে তাদের প্রয়োজনে সেটাকে কাজে লাগাতে পারে তাহলে তাদের মধ্যে স্বাবলম্বী হওয়ার এবং নিজেকে তৈরি করার এক ধরনের আত্মবিশ্বাস তৈরি হবে। রাজধানীর লক্ষীবাজারে ঐতিহ্যবাহী পোগোজ ল্যাবরেটরি হাই স্কুলে স্কুল ব্যাংকিং পরিচালনাকারী সাউথইস্ট ব্যাংকের কর্মকর্তা নাজমুল হাসান আমাদেরকে বলেন , ভবিষ্যতে একটি স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য আজকের এই শিশুদেরকে স্মার্ট করে গড়ে তুলতে হবে। আর সেই লক্ষ্যেই পরিচালিত হচ্ছে স্কুল ব্যাংকিং কার্যক্রম। এর মাধ্যমে শিশুরা ব্যাংকিং সম্পর্কে ধারণা লাভ করবে এবং তাদের ছোট ছোট সঞ্চয় গুলোকে একত্রিত করে নিজেদের প্রয়োজনে তা ব্যবহার করতে পারবে। এর ফলে শিশুদের মধ্যে নিজেকে তৈরি করার এবং সাবলম্বী হওয়ার একটা আত্মবিশ্বাস সৃষ্টি হবে। এছাড়াও সরকারের উপবৃত্তির টাকা সরাসরি শিশুদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে চলে আসবে। যা আগে মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে প্রদান করা হতো। এর ফলে শিশুদের মধ্যে এক ধরনের আত্মবিশ্বাস এবং সঞ্চয় এর প্রতি তাদের উৎসাহ তৈরি হবে। একই স্কুলে স্কুল ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে ওয়ান ব্যাংক লিমিটেড। ওয়ান ব্যাংকের কর্মকর্তা ইমতিয়াজ আহমেদ আমাদেরকে বলেন , শিশুদের এই ছোট ছোট সঞ্চয় গুলো ছোটবেলা থেকেই তাদেরকে স্বাবলম্বী হতে সাহায্য করবে। এবং আধুনিক ব্যাংকিং সম্পর্কে তারা ধারণা লাভ করবে। তাদের শিক্ষা কার্যক্রমের প্রয়োজনীয় উপাদানগুলো তারা নিজেদের টাকা দিয়েই অনেকটা সংগ্রহ করতে পারবে। এর ফলে শিশুদের মধ্যে ছোটবেলা থেকেই স্বাবলম্বী হওয়া এবং নিজেদেরকে স্মার্টভাবে গড়ে তোলার সুন্দর একটি প্রবণতা তৈরি হবে।
Leave a Reply