মমেক হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টায় ১৪ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি, বাড়ছে উদ্বেগ

হেলথ কর্ণার

জেএন ২৪ নিউজ ডেস্ক: গত ২৪ ঘণ্টায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে নতুন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়েছে ১৪ জন। এ নিয়ে বর্তমানে হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ৩১ জনে দাঁড়িয়েছে।

এর মধ্যে পুরুষ রোগী রয়েছেন ২১ জন, নারী রয়েছে ৯ জন এবং একজন শিশু রোগীও রয়েছে। তবে গত ২৪ ঘন্টায় ময়মনসিংহ বিভাগের সর্ব বৃহৎ এই হাসপাতালের কোন ডেঙ্গু রোগী মারা যায়নি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

সোমবার (১০ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টায় এই তথ্য জানিয়েছেন হাসপাতালের ডেঙ্গু বিভাগের ফোকালপার্সন ও মেডিসিন বিভাগের কনসালট্যান্ট ডা. ফরহাদ হোসেন হীরা।

তিনি জানান, চিকিৎসাধীন রোগীরা সবাই ঢাকা ও নারায়গঞ্জসহ আশপাশ এলাকায় থেকে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। নিয়মিত পর্যবেক্ষনে তাদের চিকিৎসা চলছে। তবে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে আমরা কথা বলেছি। তবে এখন পর্যন্ত চিকিৎসাধীন সব রোগীই সুস্থ আছেন।

হাসপাতালের উপ-পরিচালক জাকিউল ইসলাম জানান, গত কয়েক দিন ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা কম থাকায় হাসপাতালের তিনটি মেডিসিন ওয়ার্ডে রেখে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তবে এখন প্রতিদিন রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকায় মঙ্গলবার (১১ জুলাই) থেকে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য আলাদা ওয়ার্ড চালু করা হবে। সে লক্ষ্যে আমরা প্রস্তুতি নিয়েছি।

এদিকে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়তে থাকায় উদ্বেগ উৎকন্ঠার সৃষ্টি হয়েছে নগরীর বাসিন্দাদের মাঝে। ফলে এই বিষয়টি আমলে নিয়ে জনসাধারনের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন (মসিক) কর্তৃপক্ষ নগরীতে মাইকিং করে প্রচারণা চালাচ্ছে বলে জানিয়েছেন মসিকের প্রধান নির্বাহী মো. ইউসুফ আলী।

তিনি জানান, প্রচারণার পাশাপাশি ডেঙ্গু সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সিটি এলাকায় মশা নিধনে ক্রাশ প্রোগ্রাম চালু করার উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে। প্রয়োজনে পরবর্তীতে আরও পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।

প্রসঙ্গত, গত ৭ জুলাই মমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার বাসিন্দা মৃত আব্দুর রাজ্জাক মৃত্যুবরণ করেছেন। তিনি গাজীপুরের মাওনাতে ডেঙ্গু জ¦রে আক্রান্ত হয় বলে জানান পরিবারের স্বজনরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *