বাগেরহাটে ঘেরের জমি নিয়ে বিরোধে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নারী-শিশুসহ আহত ২০

সারাবাংলা

জেএন ২৪ নিউজ ডেস্ক: বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে মাছের ঘেরের জমির বিরোধে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নারী ও শিশুসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। সোমবার বেলা ১১ টার দিকে উপজেলার জিউধরা ইউনিয়নের বাইনতলা গ্রামে এ সংঘর্ষ বাঁধে।

আহতদের মোরেলগঞ্জ ও খুলনার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আহতরা হলেন- আব্দুল খালেক হাওলাদার, শহিদুল ইসলাম, হালিম হাওলাদার, হানিফ হাওলাদার, কাদের হাওলাদার, মানিক হাওলাদার, শাহিনুর বেগম, মিরাজ মল্লিক, মুরাদ হাওলাদার, রবিউল ইসলাম, আব্বাস ফরাজী, সালাম হাওলাদার, নুর মোহাম্মদ শেখ, হাফিজা বেগম, রুবি বেগম, সেলিনা বেগম, চয়ন হাওলার, জাকির শেখকে, রাজু খান, রাকিব শেখ, রুম্মান ও ইমরোজ। তাদের মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে খালেক হাওলাদার (৬৫), হালিম হাওলাদার (৫৪), হানিফ হাওলাদার (৫০), কাদের হাওলাদার (৬০), মানিক হাওলাদার (৬০) ও মুরাদ হাওলাদারকে (১৪) উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এরমধ্যে কারা কোন পক্ষের তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এক পক্ষের জমির মালিক হালিম হাওলাদার সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে বলেন, বাইনতলা গ্রামের এই মাছের ঘেরটিতে ১৫ বিঘা জমি রয়েছে। এর মধ্যে আমার জমির পরিমাণ সাত বিঘা। প্রতিবেশী তৈয়ব আলী আমাকে প্রতিবছর হারির টাকা পরিশোধ করবে এই প্রতিশ্রুতি দিয়ে আমার জমি ঘিরে মাছের চাষ শুরু করে। গত তিন বছর ধরে তৈয়ব আলী ঘেরের টাকা পরিশোধ না করে জোরপূর্বক দখল করে মাছ চাষ করছে। এই নিয়ে বেশ কয়েকবার শালিস বৈঠক হলেও তার কোন মীমাংসা হয়নি। পাওনা টাকা না পেয়ে এই বছর আমি তাকে আমার জমিতে মাছ চাষ করতে নিষেধ করি। সোমবার বেলা ১১টার দিকে লাঠিসোটাসহ তৈয়ব আলী শতাধিক লোক নিয়ে ঘের প্রস্তুত করতে আমার জমিতে আসে। এসময় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।

এতে আমার পরিবারের বেশি লোক আহত হয়েছে বলে দাবি করেন হালিম হাওলাদার।

তবে অন্য পক্ষের জমির মালিক তৈয়ব আলীর সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

মোরেলগঞ্জ থানার ওসি সাইদুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, বাইনতলা গ্রামের ১৫ বিঘার একটি মাছের ঘের নিয়ে হালিম হাওলাদার এবং তৈয়ব আলীর সাথে বিরোধ রয়েছে। এই বিরোধ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি হয়েছে। এতে উভয়পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। আহতদের মোরেলগঞ্জ ও খুলনার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *