চিকিৎসার জন্য সপরিবারে সিঙ্গাপুর গেলেন হারুন

হাইলাইটস

জেএন ২৪ নিউজ ডেস্ক: চিকিৎসার জন্য সপরিবারে সিঙ্গাপুর গেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) প্রধান, অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ। বৃহস্পতিবার রাতে তিনি সিঙ্গাপুরের উদ্দেশ্য ঢাকা ত্যাগ করেন। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে তোলা ছবিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করেছেন হারুন। তাতে দেখা যাচ্ছে, স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে সিঙ্গাপুর গেছেন।

গত ১ জুন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-১ শাখা তার ১৩ দিনের ছুটি মঞ্জুরের প্রজ্ঞাপন জারি করে। সিনিয়র সহকারী সচিব মাহাবুর রহমান শেখ স্বাক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপনে হারুন ও তার স্ত্রীর চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর যাবার কথা জানানো হয়। এরপরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ছড়িয়ে পড়ে হারুন দেশ থেকে পালিয়ে যাচ্ছেন; তিনি আর দেশে ফিরবেন না। সস্ত্রীক দেশ থেকে পালিয়ে যাবার যে প্রচারণা ছড়িয়ে পড়ে তার বিপরীতে কথা বলেন তিনি।

ঢাকা টাইমসকে হারুন বলেন, ‘বেশ কিছুদিন একটি গ্রুপ দেশের বাইরে থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করছে, আমি চিকিৎসার নামে বিদেশে পালিয়ে যাচ্ছি। এই অশুভ চক্রটি যে কাজটি করছে এটি সম্পূর্ণ গুজব। নিজস্ব মনগড়া তথ্য দিয়ে ফেসবুকে ভিউ বাড়াতেই এমনটা করা হচ্ছে। তাদের মূল উদ্দেশ্যে টাকা কামানো ও পুলিশের মনোবল ভাঙার চেষ্টা করা। আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, কুচক্রী মহলের এ ধরনের অপপ্রচার কোনো পুলিশ কর্মকর্তার মনোবল ভাঙবে না।’

হারুন বলেন, ‘কোনো সরকারি কর্মকর্তা চিকিৎসা বা ব্যক্তিগত বা পারিবারিক কাজে দেশের বাইরে যেতেই পারেন। সেক্ষেত্রে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে ছুটি নিতে হয়। যারা ছুটিতে যান, সেই তথ্য ওয়েবসাইটেও দেওয়া থাকে। আর চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে যাওয়া কোনো অপরাধ নয়।’

গত বছরের ১৩ জুলাই ডিবিপ্রধানের দায়িত্ব পান হারুন অর রশীদ। একইবছরের ১১ মে অতিরিক্ত ডিআইজি থেকে পদোন্নতি পেয়ে ডিআইজি হন। সেসময় তিনি যুগ্ম-পুলিশ কমিশনারের (সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম ও গোয়েন্দা উত্তর) দায়িত্বে ছিলেন।

পুলিশের এই কর্মকর্তার জন্ম কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার হোসেনপুর গ্রামে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজবিজ্ঞানে অনার্স ও এমএসএস করেন। পুলিশের ভালো কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ ‘বাংলাদেশ পুলিশ পদক’-বিপিএম ও ‘রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক’-পিপিএম পেয়েছেন পাঁচবার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *