ঈদুল আজহার ছুটি ৭ দিন

জাতীয় হাইলাইটস

অনলাইন ডেস্ক: আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। তবে ২৩ মে (শনিবার) ও ২৪ মে (রোববার) অফিস খোলা থাকবে।

বৃহস্পতিবার রাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

নতুন এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এবারের ঈদের ছুটি শুরু হবে আগামী ২৫ মে থেকে এবং তা চলবে ৩১ মে পর্যন্ত। তবে এই দীর্ঘ ছুটি সমন্বয় করতে একটি পরিবর্তন আনা হয়েছে। আগামী ২৩ মে শনিবারের নিয়মিত সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করা হয়েছে। অর্থাৎ ২৩ ও ২৪ মে সরকারি অফিসসমূহ যথারীতি খোলা থাকবে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, সাধারণ মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে এবং ঈদের আনন্দকে আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতেই টানা ৭ দিনের এই ছুটির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘ এই ছুটির ফলে ঘরমুখী মানুষের ভিড় যেমন নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে, তেমনি কর্মজীবীরাও পরিবার-পরিজনের সঙ্গে পর্যাপ্ত সময় কাটানোর সুযোগ পাবেন। এটি এবারের ঈদুল আজহার উদযাপনে এক নতুন মাত্রা যোগ করবে।

মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘জাতীয় পাবলিক টয়লেট নীতিমালা ২০২৬’–এর খসড়া অনুমোদন করা হয়েছে। এর প্রধান উদ্দেশ্য পাবলিক টয়লেট ব্যবহার, রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি, সারা দেশে স্বাস্থ্যসম্মত ও মানসম্মত পাবলিক টয়লেট সুবিধার সহজলভ্যতা নিশ্চিত করে জনস্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতার মান উন্নত করা, নারী, শিশু, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, বয়স্ক ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য ব্যবহারবান্ধব টয়লেট–সুবিধা নিশ্চিত করা।

এ ছাড়া পাবলিক টয়লেট–ব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদি কার্যকারিতা ও স্থায়িত্বের জন্য কার্যকর ব্যবস্থাপনা মডেল এবং অর্থায়ন নিশ্চিত করা, নীতিমালার বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণ, মূল্যায়ন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী এটিকে যুগোপযোগী করার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলাও এর উদ্দেশ্য।

শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট ব্যবহারবিধি সম্পর্কে সচেতনতা গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করবে। ভৌত অবকাঠামোসংক্রান্ত উন্নয়ন প্রকল্পে নারীদের জন্য পৃথক টয়লেট নির্মাণ অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। সব টয়লেটের বর্জ্য সংরক্ষণের জন্য সেপটিক ট্যাংক নির্মাণ আবশ্যক, কোনোভাবেই টয়লেটের বর্জ্য যাতে নদী, খাল-বিলসহ অন্যান্য জলাশয়ে পতিত হয়ে পানিদূষণ ঘটাতে না পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *