নারী আসলে কিসে আটকায়? যা বললেন পরীমনি

বিনোদন

জেএন ২৪ নিউজ ডেস্ক: কয়েকদিন ধরেই সামাজিক মাধ্যমে ঘোরাফেরা করছে একটি প্রশ্ন— ‘নারী আসলে কিসে আটকায়?’। ট্রেন্ডিং এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন অনেকেই। তাদের মধ্যে আছেন শোবিজের তারকারাও। নানা রকম ব্যাখ্যা উঠে এসেছে। এবার সেই প্রশ্নের জবাব দিলেন দেশের আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনি।

রবিবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ছেলে রাজ্যের সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করেন এই অভিনেত্রী। সেখানেই এই ট্রেন্ডিং প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন তিনি। তাতে পরীমনি লেখেন, ‘নারী, পুরুষ কিংবা মানুষ, কিসে এত আটকে রাখার দায়? জীবন শুধু মায়ায় আটকায়।’ তার সঙ্গে নায়িকা দিয়েছেন একটি লাভ ইমোজি।

মাস কয়েক ধরেই পরীমনির সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ তার বর্তমান স্বামী শরীফুল রাজের। পরীমনির বাসা ছেড়ে বেরিয়ে গিয়ে দুই মাসের বেশি সময় ধরে আলাদা থাকছেন রাজ। গত ১০ আগস্ট রাজধানীর হোটেল রেডিসন ব্লু’তে ধুমধাম করে পালন করা হয় পরীমনির ছেলে রাজ্যের প্রথম জন্মদিন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন না রাজ।

প্রসঙ্গত, বিবাহ বিচ্ছেদ হচ্ছে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো এবং তার স্ত্রী সোফি গ্রেগরির। তারপর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়াতে ঘুরছে একটি পোস্ট। তাতে লেখা, ‘জাস্টিন ট্রুডোর ক্ষমতায়, বিল গেটসের টাকায়, ফুটবলার হাকিমির জনপ্রিয়তায়, হুমায়ন ফরীদির ভালোবাসায়, তাহসানের কণ্ঠে কিংবা হৃত্বিক রোশানের স্মার্টনেসে— কোনো কিছুই নারীকে আটকাতে পারেনি। বলতে পারবেন নারী আসলে কিসে আটকায়?’

এই পোস্টের অনেকে মতামত এবং প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন নেটিজেনরা। তাতে গা ভাসিয়েছেন বিনোদন জগতের সঙ্গে যুক্তরাও। ‘নারী কিসে আটকায়’— প্রশ্নের প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বাংলাদেশের আরেক নায়িকা মাহিয়া মাহিও। তিনি লেখেন, ‘বুঝলাম না, ট্রুডো-সোফির কোনো সমস্যা নেই। আমরা কেন মারা যাচ্ছি?’

ছোটপর্দার অভিনেত্রী ফারজানা আহসান মিহি লেখেন, ‘নারী বেহেশতেই আটকায় নাই, গন্দম খাইয়া বের হয়ে গেছে। আর দুনিয়ায় কিসে আটকায় তা জিগাইতাছেন? পারেনও আপনারা।’ অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়া লিখেছেন, ‘একটি মেয়ে একটি সম্পর্ক থেকে শুধুমাত্র ভালোবাসা, যত্ন এবং স্নেহ চায়। সে আর কিছু না।’

জবাব দিয়েছেন সোহানা সাবাও। লিখেছেন, ‘মেয়েরা আসলে কিসে আটকায় জানেন? তারা যাকে ভালোবাসেন, তাকে শুধু নিঃস্বার্থের মতো ভালোবেসে যান। তাহলে সে সেই আরামের ঘর ছেড়ে আর কোথাও যাবে না। আর তারপরেও যদি ‘সে’ চলে যায় তাহলে বুঝে নেবেন, সে কোনোদিন আপনার ছিলই না।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *