আরিফের খুটির জোর কোথায়? প্রশাসনকে বৃদ্ধা আঙ্গুল দেখিয়ে চালাচ্ছে ওয়ানটেন জুুয়ার আসর!

ক্রাইম নিউজ

জেএন ২৪ নিউজ ডেস্ক: গাজীপুুর বাসন থানার শিমুল তলার গুদারাঘাট নদীতে বড় নৌকার মধ্যে চলছে ওয়ানটেন জুয়া, মদ, গজার ও ইয়াবার আসর। সুত্র জানায় দীর্ঘদিন ধরে এই জুয়া খেলা হয়ে আসছে গুদারাঘাটে। এই জুয়ার মূল হোতা কাপাশিয়ার আরিফ। এই আরিফ প্রতিদিন জুয়া খেলার লোকজনকে ফোনের মাধ্যমে এদের আসতে বলতো কোনাবাড়ী বালুর মাঠে। জুুয়াড়ুরা তাদের ব্যবহারকৃৃত প্রাইভেট কার গাড়ী গুলো কোনাববাড়ী বালুর মাঠ সংলগ্ন সিএন জি পাম্পে রাখ। এরপর জুয়াড়ু আরিফের লোকজন তাদেরকে নৌকা যোগে গোদারাঘট নামক স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে প্রতিদিন বিকাল ৪ টা হতে রাত ৮ টা পর্যন্ত চলে প্রথম ধাপের খেলা। সেখানে ২ ঘন্টা বিরতির পর পূনরায় শুরু হয় রাত ১০ টা থেকে ভোর ৫ টা পর্যন্ত। এই খেলায় প্রতিদিন লক্ষ্য লক্ষ্য টাকার লেনদেন করা হয়। । যা পরিচালনা করে জুয়াড়ু আরিফ ও তার সঙ্গীগণ। এই আরিফ টাকার জুয়া, মদ,গাজা ও ইয়াবা সেবন এবং খেলাকে অনেকেই দিন দিন নিশ্বহয়ে পথে বসছ্। সুত্র আরো জানায় গত বছর এই জুয়া খেলাকে কেন্দ্র্র করে কথাকাটাকাটির ফলে নৌকায় কোনাবাড়ীর আমিন নামে একব্যক্তিকে খুন করা হয়েছে। ঐ খুনের কারণে জুয়াড়ু আরিফ দীর্ঘদিন পলাতক ছিলো। এক পর্যায়ে আরিফের ভয়ে তাদের পরিবারের লোকজন ভয়ভৃৃতির মধ্যে দিন কাটাতো বলে জানা যায়। একপর্যয়ে আরিফ আমিনের পরিববারের সাথে বসে গোপনে খুনের বিষয়টা মিমাংসা করার কথা বলে। এই খুনের মূলরহস্য উৎঘাটনের জন্য অনুসন্ধান অব্যহত থাকছে। এই আরিফের উত্থান গাজীপুরের কাপাসিয়া থেকে ঢাকায় এসে আবাসিক হোটেলে কাজ করতো্এস্ই সুবাদে হোটেল আবাসিক ব্যবসা শুরু,এই আবাসিক ব্যবসার মধ্যে চালায় নারী ও অসামাজি দেহ ব্যবসা। এর ফলে শুরু আরিফের দাপট ও রাতারাতি বনে যায় অধিক টাকার মালিক। বর্তমানে ঢাকার শ্যামলীতে রয়েছে তার আবাসিক হোটেল ও নানারকম অবৈধ ব্যবসা। দেশের বিভিন্ন গ্রাম থেকে মেয়েদের এনে হোটেলে রেখে দেহ ব্যবসার পাশাপাশি চলে মদ, গাজা ও ইয়াবা ব্যবসা । এই ব্যবসার ফলে প্রতিদিন আরিফ লক্ষ্য লক্ষ্য টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে জানা যাায়। নাম প্রকাশে অনইচ্ছুক কতিপয় ব্যক্তি জানান আরিফ এতোটায় চতুর যে এই অবৈধ ব্যবসা প্রশাসনসসহ সকলকে ম্যানেজ করেই চালিয়ে আসছে। আগামী পর্বে অনুসন্ধানে আরো থাকবে……………..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *