1. admin@jn24news.com : admin :
  2. mail.bizindex@gmail.com : newsroom :
সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪, ০২:২৩ পূর্বাহ্ন

দেশের অর্জন নস্যাৎ করতে দেশি ও বিদেশি ষড়যন্ত্র চলতেই থাকবে: প্রধানমন্ত্রী

  • Update Time : বুধবার, ১৭ মে, ২০২৩
  • ৫২ Time View

জেএন ২৪ নিউজ ডেস্ক: জনগণের আস্থা, বিশ্বাস অর্জন করে তাদের ভোটের মাধ্যমেই আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নির্বাচনে ভোট চুরি নিয়ে বিরোধীপক্ষের সমালোচনায় কান না দিতেও দলের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি। সবাইকে তাগিদ দিয়েছেন স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মানুষের আস্থা-বিশ্বাসটাই হচ্ছে আমাদের একমাত্র শক্তি। জনগণই হচ্ছে আওয়ামী লীগের একমাত্র বন্ধু। বিরোধীপক্ষ যে ভোটচুরির কথা বলে এগুলো মাঠের কথা। মাঠের কথা মাঠে থাকবে, আমরা থাকব জনতার সঙ্গে। জনতার পাশে থেকে তাদের ভাগ্য পরিববর্তন করব।’

শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বুধবার দুপুরে গণভবনে আওয়ামী লীগ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতারা বঙ্গবন্ধুকন্যার সঙ্গে ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে দলের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের নির্দিষ্ট সংখ্যক সিনিয়র নেতারা বঙ্গবন্ধু কন্যার হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শুধু উন্নয়নশীল দেশই নয়, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছি। সেটাও আমরা কার্যকর করে যাচ্ছি। স্বাভাবিকভাবে যারা স্বাধীনতার বিরুদ্ধে, জাতির পিতাকে যারা হত্যা করেছে তাদের ষড়যন্ত্র চলতেই থাকবে। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায় থেকে গভীর ষড়যন্ত্র চলবে আমাদের অর্জনগুলো নসাৎ করতে।’

উদ্দেশ্যের সঙ্গে সততা থাকলে যেকোনো জায়গায় সাফল্য আসতে পারে মনে করিয়ে দেন বঙ্গবন্ধুকন্যা। দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, ‘লক্ষ্য একটাই, দেশের মানুষের জীবনটা উন্নত করা, তাদের ভাগ্য পরিববর্তন করে দেওয়া। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব চেয়েছিলেন দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে। সেই হাসি ফোটানোই একমাত্র কর্তব্য এবং সেটা আমরা করে যাচ্ছি।’

‘আজ যখন গৃহহীন-ভূমিহীন মানুষকে ঘর দিই। তখন তার মুখের হাসি আর চোখের পানি একাকার হয়ে যায়। আমার মনে হয়, এর থেকে বড় পাওয়া বা সার্থকতা আর কিছু নেই।’

পঁচাত্তরের পর দেশে গণতন্ত্র আর ভোটের অধিকার না থাকার বিষয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘আজকে গণতন্ত্র নিয়ে অনেকেই কথা বলে। ভোটের অধিকার; বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও ভোটের অধিকার কবে ছিল? পঁচাত্তর সালের পর থেকে যেভাবে ভোট চুরি, ভোট নিয়ে ও মানুষের ভাগ্য নিয়ে খেলা হয়েছে।’

‘আওয়ামী লীগের নানা পদক্ষেপের ফলে আজ বিভিন্ন সংস্কারের মধ্য দিয়ে নির্বাচন পদ্ধতিটা গণমুখী হয়েছে। আমার ভোট আমি দেব, যাকে খুশি তাকে দেব এই স্লোগানের মাধ্যমে ভোট সম্পর্কে মানুষকে আওয়ামী লীগই সচেতন করেছে। এটা তো আর কারও না।’

শেখ হাসিনা তার সরকারের মেয়াদে অবাধ সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন প্রক্রিয়া বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনকে শক্তিশালী করতে আইন প্রণয়ন, ছবিসহ ভোটার তালিকা, আইডি কার্ড, স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সসহ নানামুখী পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন।

বলেন, ‘এরপরওকেউযখন আমাদের গণতন্ত্র ও ভোটের ছবক দিতে আসে, সেখানে আর কিছু বলার থাকে না। বরং যারা ভোট চোর ছিল, ভোট ডাকাত ছিল তারাই এখন গণতন্ত্র আর ভোটের অধিকারের কথা বলে।’

জনকল্যাণে কাজ করে যাওয়া আওয়ামী লীগের একমাত্র প্রতিজ্ঞা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ জনগণের সংগঠন। জনগণের কল্যাণেই কাজ করে যাবে। এটাই আমাদের একমাত্র প্রতিজ্ঞা। দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়ে সোনার বাংলা গড়তে জাতির পিতার যে স্বপ্ন, ইনশাল্লাহ আমরা গড়ে তুলব।’

আওয়ামী লীগ নেতাদের মধ্যে দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সংসদের উপনেতা বেগম মতিয়া চৌধুরী, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শাজাহান খান, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, কামরুল ইসলাম, ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ড. হাছান মাহমুদ, মাহবুব-উল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, এসএম কামাল হোসেন, আফজাল হোসেন কার্যনির্বাহী সদস্য আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ প্রমুখ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 Breaking News
Theme Customized By BreakingNews