1. admin@jn24news.com : admin :
  2. mail.bizindex@gmail.com : newsroom :
শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
বিসিএস নির্বাচনে ড. আরেফিন-ববী প্যানেলের নিরস্কুশ বিজ বাংলাদেশ কম্পিউটার সোসাইটির কেন্দ্রীয় ব্যবস্থাপনা মিরপুরে ঝিলপাড় বস্তির অগ্নিকাণ্ডে অল্পের জন্য সন্তানসহ প্রাণে বাঁচেন রোকসানা ফের পেঁয়াজ রপ্তানির ঘোষণা ভারতের মাত্র ত্রিশ হাজার টাকায় রোহিঙ্গাদের নাগরিক বানিয়ে দিতেন তারা এনআইডি জালিয়াতি রোধে কর্মকর্তাদের একে অন্যের কম্পিউটার ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা ইসির বিতাড়িত রোহিঙ্গাদের প্রতি উদারতা বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে: প্রতিমন্ত্রী মির্জা আব্বাস সব মামলায় জামিন পেলেন ‘দরবেশ বাবা’দের প্রতারকের পাল্লায় পড়ে খুইয়েছেন ২৫ লাখ টাকা মালিবাগে দশতলা ভবন থেকে পড়ে পুলিশ কর্মকর্তার বাসার গৃহকর্মীর মৃত্যু কক্সবাজারের রামু গুচ্ছগ্রামে ১৮ কেজি গাঁজাসহ দুইজন মাদক কারবারীকে আটক করেছে র‌্যাব-(১৫)

আর কয়েকদিন অপেক্ষা করুন, ক্ষোভের তীব্রতা দেখবেন: প্রধানমন্ত্রীকে রিজভী

  • Update Time : শনিবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৩
  • ৪৯ Time View

জেএন ২৪ নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘আপনাকে আর কয়েকদিন মাত্র অপেক্ষা করতে হবে। মানুষের ক্ষোভ কত তীব্র হতে পারে, সেটা প্রধানমন্ত্রী আপনার দেখার সময় হয়েছে।’

শনিবার বিকালে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় ঢাকাস্থ ফেনী জেলা জাতীয়তাবাদী পরিষদ আয়োজিত বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রিজভী এসব বলেন।

প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে রিজভী বলেন, ‘যদি আমাদের আল্লাহর উপর বিশ্বাস থাকে তাহলে আপনার শেষ রক্ষা হওয়ার কথা না। নমরুদরা কখনো জিতে নাই। ফেরাউন কখনো জিতে নাই। অবশেষে হিটলারের লাশটাও পাওয়া যায়নি। আপনি মনে করেছেন সবাই নীরব নিস্তব্ধ। কিন্তু মানুষের হৃদয়ে কান্না বয়ে যাচ্ছে। এই কান্না যখন আগ্নেগিরির অগ্নুৎপাতের মতো হবে। সেই আগুনে আপনার অবৈধ সরকার পুড়ে ছারখার হয়ে যাবে।’

রিজভী বলেন, কোনো অন্যায়ের কাছে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কখনো মাথা নত করেননি। তিনি কখনো দেশ ছেড়ে যাননি। শেখ হাসিনা গিয়েছিল। তারপরে তিনি মইনুদ্দিন ফখরুদ্দিনকে বললেন বেগম খালেদা জিয়া দেশে রয়েছে আমিও যাব। তারপরে তিনি তাদের সাথে মাস্টারপ্ল্যান করে ক্ষমতায় আসলেন। এরপরে শুরু হয়েছে একটু একটু করে আমাদের সার্বভৌমত্ব দুর্বল করার চক্রান্ত।

বিএনপির এই নেতা বলেন, ওবায়দুল কাদের বলেছেন তলে তলে সব ঠিক করেছেন, দিল্লি ও তাদের পাশে আছে। কিন্তু দেশের জনগণ তাদের পাশে নাই প্রকারন্তে এটাও তারা বলেছেন। যে যারা তাদেরকে পছন্দ করে না তাদেরকেও তলে তলে ম্যানেজ করেছে এটা থেকে প্রমাণিত হয় দেশের জনগণ তাদের সাথে নেই। তারা চেষ্টা করছে নিজেদেরকে টিকিয়ে রাখার জন্য। তাদের গণতন্ত্র হত্যা দুঃশাসন জোর করে ক্ষমতা দখল এগুলোর জন্য পৃথিবীর গণতান্ত্রকামী দেশগুলো যারা সমালোচনা করছেন তাদেরকে ম্যানেজ করার চেষ্টা করছেন। কিন্তু সবাইতো ম্যানেজ হবে না।

আওয়ামী লীগের উদ্দেশ্য বিএনপির এই নেতা বলেন, আপনারা যদি জনগণের পক্ষে থাকতেন তাহলে তলে তলে ম্যানেজ করার কথা বলতেন না। আপনারা এত ম্যানেজ করছেন সুষ্ঠু নির্বাচনের ম্যানেজ করছেন না কেন? একটা সুষ্ঠ নির্বাচন দেওয়ার জন্য আপনি পদত্যাগ করবেন এটা দেশের মানুষ বিশ্বাস করে। একটা নিরপেক্ষ সরকার দিন। আমরাতো বলছি না বিএনপির মনোনীত কোন প্রার্থীকে দিন। যিনি কোন দলের পক্ষপাতিত্ব করবেন না সবাই যাকে পছন্দ করে বিশ্বাস করবে তাকে দিন। তত্ত্বাবধায়ক সরকার দিতে শেখ হাসিনারা এত বাধছে কেন? তলে তলে সব ম্যানেজ করছেন। জনগণকে ম্যানেজ করার জন্য নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার দিচ্ছেন না কেন?

রিজভী বলেন, এখানে কারণ রয়েছে। তিনি যে অন্যায় অপরাধ করেছেন তার জন্য তিনি মনে করছেন একটা বড় বিস্ফোরণ ঘটবে। এই কারণেই যেনতেন ভাবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, রাষ্ট্রশক্তিকে হাতের কব্জায় নিয়ে তিনি জনগণকে কাবু করছেন। তিনি জনগণের সর্বভৌমত্ব হরণ করেছেন। জনগণের স্বাধীনতাকে হরণ করেছেন সব সাজিয়ে নিয়ে। নিজেকে নিশ্চিন্তে তার ক্ষমতায় কেউ হাত দিতে পারবে না। জনগণ থাকলো কি থাকলো না। সুষ্ঠু ভোটের দরকার নেই। পুলিশ, র্যাব, অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সব সংস্থা আমি সাজিয়েছি। অতএব আমাকে কেউ স্পর্শ করতে পারবে না। প্রধানমন্ত্রীর ভাষ্য এরকম। আপনার বাবার বেলায়ও এরকম হয়েছে। সব রাজনৈতিক দল বন্ধ। সব পত্রিকা বন্ধ তারপর সিরাজ শিকদারকে হত্যা করে সংসদে দাঁড়িয়ে বললেন কোথায় সিরাজ শিকদার। তারমানে তার প্রতিদ্বন্দ্বী কেউ নাই। সিরাজ সিকদার ছিল সেও নাই কথাটা তো তাই দাঁড়ায়। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি।

রিজভী বলেন, ১৯৭৫ সালের মর্মান্তিক যে হত্যাকান্ড আমি ব্যক্তিগতভাবেও দুঃখ প্রকাশ করি। কিন্তু নিজেকে সম্রাট মনে করলে, নিজের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী নাই মনে করলে আল্লাহর তরফ থেকে অনেক কিছুই হয়। আপনি প্রধানমন্ত্রীও তাই মনে করছেন। যে বেশি কথা বলল তাকে ধরে নিয়ে যাও। এ্যানী কথা বলল তাকে ধরে নিয়ে গেল শারীরিক নির্যাতন করেছে তাকে গায়েবী মামলা দিচ্ছে সুষ্ঠু ভোটের কোন বালাই নাই। তারপরেও কি আপনার শেষ রক্ষা হবে?

এ সময় বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য রেহেনা আক্তার রানু ও আবু তালেব উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 Breaking News
Theme Customized By BreakingNews